ঢাকা, শুক্রবার, ডিসেম্বর ৪, ২০২০

শিরোনামঃ

২০২১ শিক্ষাবর্ষে সরকারি স্কুলে ভর্তির নীতিমালা জারি

২০২১ শিক্ষাবর্ষে সরকারি স্কুলে ভর্তির নীতিমালা জারি
স্টাফ রিপোর্টার : ২০২১ শিক্ষাবর্ষে   ৪০ শতাংশ এলাকা কোটাসহ অন্যান্য কোটা বহাল রাখা হয়েছে। প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য বয়স হতে হবে ছয় বছরের বেশি। প্রথম শ্রেণিতে লটারি ও দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি হতে হবে। ভর্তির ফরমের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭০ টাকা। এসব নির্দেশনা দিয়ে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির সংশোধিত নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। 
 
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব হোসেন স্বাক্ষরিত এই নীতিমালাটি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
ভর্তি নীতিমালায় বলা হয়েছে, ঢাকা মহানগরীর স্কুল পার্শ্ববর্তী শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০ শতাংশ এলাকা কোটা রেখে অবশিষ্ট ৬০ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
 
প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য ১০ শতাংশ, ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা, ২ শতাংশ প্রতিবন্ধী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষক-কর্মচারীর সন্তানের জন্য ২ শতাংশ কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষার জন্য শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগে নির্ধারিত কমিটিকে যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে সভা করে পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে।
নীতিমালায় শিক্ষার্থীর বয়স, ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ও সময় নির্ধারণ, ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতি, বিদ্যালয়সমূহ ক্লাস্টার বিভক্তিকরণ, ভর্তির আবেদন ফরম, উত্তরপত্র মূল্যায়নসহ ফলাফল তৈরির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে।
 
বিদ্যালয়গুলোর অবস্থান, শিক্ষার্থীদের সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনা করে পরীক্ষা কমিটি বিদ্যালয়গুলোকে বিভিন্ন ক্লাস্টারে বিভক্ত করতে পারবে। শিক্ষার্থীরা আবেদন ফরমে পছন্দক্রম উল্লেখ করে দেবে।
 
ভর্তি ফরম
ভর্তির ফরম বিদ্যালয়ের অফিসে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর, ডিসি অফিস ও বিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। এবার ভর্তির আবেদন ফরমের মূল্য ধরা হয়েছে ১৭০ টাকা। সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্ধারিত থেকে বেশি হবে না।
 
ভর্তি পরীক্ষার সময় ও মানবণ্টন
দ্বিতীয়-তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পূর্ণমান-৫০। এর মধ্যে বাংলা ১৫, ইংরেজি ১৫, গণিত ২০ নম্বর। ভর্তি পরীক্ষার সময় এক ঘণ্টা। চতুর্থ-অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পূর্ণমান-১০০। এর মধ্যে বাংলা ৩০, ইংরেজি ৩০, গণিত ৪০ নম্বর থাকবে। ভর্তি পরীক্ষার সময় দুই ঘণ্টা। নীতিমালায় ভর্তি পরিচালনার জন্য বিভিন্ন কমিটিও করে দেয়া হয়েছে।